মামুন হোসাইনঃ সরকারি নির্দেশ মেনে করোনা ভাইরাস মহামারিতে সকলকে সুরক্ষার জন্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে।কিন্ডারগার্টেন ও সমমানের প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষিকা এবং কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার সুযোগ এখনো হয়নি।এখনো অনেকেই কষ্টে আছেন।৬ই এপ্রিল সোমবার এ অবস্হায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের জন্য আর্থিক প্রণোদনা দিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবী জানিয়েছে কিন্ডারগার্টেন এডুকেশন এসোসিয়েশন। বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষায় অভাবনীয় উন্নতি সাধিত হয়েছে।বিশেষ করে বেসরকারি ব্যাক্তি মালিকানাদীন স্কুল গুলো আগে বিনামুল্যে,বই পেতোনা,বর্তমানে বিনা মুল্যে যথাসময়ে বই পেয়ে আসছে। অনেক কেজি স্কুল যথাযত পাবে কর্তৃক ভাবে অনুমোদন প্রাথমিক অনুমোদন পেয়েছে।এখন নিজ স্কুলের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনি পরীক্ষা দিচ্ছে।এসব স্কুলের শিক্ষার্থীরা সরকারি বৃত্তি ও পাচ্ছে।মাঝে মধ্যে শিক্ষকরাও প্রশিক্ষণ পেয় থাকেন। এতবছর পর ও অধিকাংশ স্কুল চলে ভাড়া ঘরে এবং শিক্ষকরা খুবই অল্প বেতনে চাকরি করে অভাব এর কারণে অনেকে টিউশনি ও করে। দেশের লক্ষাধিক কিন্ডারগার্টেন ব্যক্তি মালিকানাদীন ভাড়া যুক্তিমতে পরিচালিত স্কুলে কর্মরত আছে ১০ থেকে ১২ লক্ষাধিক শিক্ষক শিক্ষিকা এবং কর্মকর্তা কর্মচারী। একটি কেজি স্কুলের মাসিক আয় স্কুল ঘর ভাড়া শিক্ষক শিক্ষিকা কর্মচারীর কর্মকর্তার বেতন বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির বিল সহ অন্যান্য খরচে এসব চলে যায়। যা সরকারের যথাযত কর্তৃপক্ষের বরাবরে হিসেব দেখানোর প্রয়োজনীতা আছে এবং অনুমোদিত স্কুলের পক্ষ থেকে হিসেব জমাদান ও করা হয়ে থাকে। বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানেরর আয় তথা টিউশন ফি পাওয়া বন্ধ তাই এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষিকাদের কথা চিন্তা করে আর্থিক প্রণোদনা দিলে উপকৃত হবে দেশের শিক্ষিত সমাজ।

