মো. আশরাফুল জাহান শাওলিনঃ চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার আন্তজার্তিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রে টি (আইসিডিডিআর’বি) রোগী রোগী শূণ্য হয়ে পড়েছে।যার মধ্যে শিশু রোগী তেমন একটা নাই বললেই চলে।পহেলা এপ্রিল বুধবার এই চিত্র দেখা যায়।তবে অনেকের মতে,করোনা পরিস্থিতিতে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় অনেকে কষ্ট করে এখানে চিকিৎসা নিতে আসছেন না।আর এছাড়াও এই অবস্থায় পার্শ্ববর্তী জেলা ও উপজেলার রোগী হাসপাতালে না আসাতেই এই রোগী শূণ্যতা। হাসপাতালের এক তথ্যে দেখা যায়,চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষের ৯ দিনে (২২ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত) হাসপাতালে রোগী ভর্তি হয়েছে অন্য সময়ের চেয়ে অর্ধেকেরও কম। করোনা ভাইরাস সংক্রমনের ভয়েই যেন অতি জরুরী না হলে রোগী হাসপাতালে আসছে না।তথ্যে আরো দেখা যায়,এবছরের মার্চের ২২ তারিখে ৯৩জন, ২৩ তারিখে ৭৫জন, ২৪ তারিখে ৭৬জন, ২৫ তারিখে ৭১জন, ২৬ তারিখে ৪৭জন, ২৭ তারিখে ৪৯জন, ২৮ তারিখে ৫৭জন, ২৯ তারিখে ৭৬জন, ৩০ তারিখে ৫৪জন রোগী ভর্তি হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩১ মার্চ তারিখে ২৮জন রোগী শুধুমাত্র ডায়রিয়াতেই আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ডায়রিয়া বিভাগ হতে জানা যায়,
চিকিৎসার মান ভালো হওয়ায় এবং দক্ষ ডাক্তাররা এখানে সু-চিকিৎসা দিচ্ছেন।তাই প্রয়োজন না হলে সামান্য অসুখে পরামর্শ দিয়েই রোগীকে বাড়িতে পাঠানো হচ্ছে।তাছাড়া করোনা আতঙ্কে অনেকে ঘর থেকে বের না হওয়ায় সুস্থ্য থাকায় হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ছে না।হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. চন্দ্র শেখর দাস জানান,হাসপাতালে রোগী কমবে বাড়বে এটা ত স্বাভাবিক ব্যপার।কেননা রোগীর দরকার না হলে ত রোগী হাসপাতালে আসবে কেন?আর যদিও হাসপাতালে আসে তাহলে যদি দেখি তাকে শুধু পরামর্শ আর সামান্য ঔষুধেই সুস্থ্য করা সম্ভব।তাহলে ত তাকে আমরা হাসপাতালে ভর্তি দেখাই না।তিনি আরো জানান,এখন কিছু রোগী রয়েছে যারা আসছে মতলব উত্তর ও দক্ষিণ, দাউদকান্দি ও চাঁদপুর সদর থেকে। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কারণে হয়েতো বেশি জরুরী না হওয়ায় কেউ কষ্ট স্বীকার করে হাসপাতালে আসছে না।তবে রোগী না আসাতেই বুজা যাচ্ছে মানুষ সচেতন হয়েছে এবং সুস্থ্য রয়েছে।

