সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ন
মোঃ আরিফুর রহমান সাগর।
চাঁদপুর সদর উপজেলার আশিকাটি এলাকায় প্রায় এক বছর আগে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তালাকের ঘোষণাপত্র তৈরি করেও স্ত্রীকে বিষয়টি সময়মতো না জানানোর অভিযোগ উঠেছে মো. সাইফুল ইসলাম গাজীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুই সন্তানকে নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন তার স্ত্রী মরিয়ম আক্তার ও তার পরিবার।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, মো. সাইফুল ইসলাম গাজী, পিতা—মৃত কুদ্দুস গাজী বাচ্চু, সাং—আশিকাটি, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুরের সঙ্গে মরিয়ম আক্তার, পিতা—শাহ আলম মিজি, সাং—বড় সুন্দর, ডাকঘর—দেবপুর, চাঁদপুর সদর-এর ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক ২০১৬ সালের ১৬ আগস্ট বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই সন্তান রয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর কয়েক বছর সংসার ভালোভাবে চললেও পরবর্তীতে সাইফুল ইসলাম প্রবাসে যাওয়ার কথা বলে স্ত্রীর গয়না এবং মরিয়মের পরিবারের কাছ থেকে নগদ তিন লাখ টাকা নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমান। এরপর গত দুই থেকে আড়াই বছর ধরে স্ত্রী ও সন্তানদের যথাযথ খোঁজখবর এবং ভরণপোষণ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ পরিবারের।
ভুক্তভোগী পরিবারের ভাষ্য, ২০২৫ সালের ২৬ নভেম্বর নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সাইফুল ইসলাম একটি তালাকের ঘোষণাপত্র তৈরি করেন। কিন্তু বিষয়টি স্ত্রী বা তার পরিবারকে তখন জানানো হয়নি।
প্রায় নয় মাস পর, ২০২৬ সালের ১৫ আগস্ট সাইফুল ইসলামের পক্ষ থেকে ফোন করে তালাকের বিষয়টি জানানো হয় এবং চেয়ারম্যান কার্যালয় থেকে ডাকযোগে কাগজ সংগ্রহের কথা বলা হয় বলে দাবি মরিয়মের পরিবারের।
পরে মরিয়মের মা সংশ্লিষ্ট কাগজ সংগ্রহ করে দেখতে পান, তালাকের ঘোষণাপত্রটি প্রায় এক বছর আগেই তৈরি করা হয়েছে। বিষয়টি জানার পর দুই সন্তানের জননী মরিয়ম ও তার পরিবার হতাশ হয়ে পড়েন বলে জানিয়েছেন তারা।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...