শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ফরিদগঞ্জে আমনের মাঠে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন, বাম্পার ফলনের আশায় চাষিরা চাঁদপুর প্রেসক্লাবের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু চাঁদপুরে নজরুল সংগীত প্রতিযোগিতায় মাদকবিরোধী গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম ফরিদগঞ্জে অর্থাভাবে চিকিৎসাবঞ্চিত তিন শতাধিক রোগী পেলেন বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা চাঁদপুরে জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত শিশুটি যেন হাসিমুখে ঘুমিয়ে আছে! দুই মাসের নাবিহানের বিদায়ে শোকাহত পরিবার চাঁদপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অস্থায়ী চেকপোস্ট পরিচালনা ফরিদগঞ্জে আগুনে পুড়ে ছাই নতুন ঘর, দুই সন্তানকে নিয়ে দিশেহারা পপি বেগম মতলব দক্ষিণে বিদ্যালয়ে চার দিন ধরে লাইট-ফ্যান চালু, বিদ্যুৎ অপচয় ও অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকির অভিযোগ কচুয়ায় শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

দীর্ঘ ২৫ বছর পর ১১ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

হিলশা নিউজ ডেস্ক / ১৫০ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪১ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫ নম্বর রামপুর ইউনিয়নের বড় সুন্দর মৌজায় ১১ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। জমির ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রায় ২৫ বছর ধরে তারা জমিটি ভোগদখল করে আসলেও বর্তমানে মৃত অ্যাডভোকেট তোফায়েল আহমেদের ওয়ারিশগণ ওই সম্পত্তির দাবি করে তাদের উচ্ছেদের চেষ্টা ও হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছেন।

ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩ সালের ২৩ অক্টোবর বড় সুন্দর মৌজার জেএল নং-৪৭, খতিয়ান নং-১৭৯-এর অন্তর্ভুক্ত ১১ শতাংশ জমি ক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করা হয়। পরবর্তীতে ওই সম্পত্তি ক্রয় করেন—
১. মোঃ ফজলুর রহমান মিজী, পিতা—মৃত মোঃ জালাল উদ্দিন মিজী এবং
২. মোঃ শাহ আলম মিজী, পিতা—মোঃ ফজলুর রহমান মিজী।

তাদের দাবি, জমিটি ক্রয়ের পর তৎকালীন মালিক অ্যাডভোকেট তোফায়েল আহমেদ আপস-বণ্টনের মাধ্যমে সম্পত্তিটি বুঝিয়ে দেন এবং ক্রেতারা দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট দাগে তাদের ১১ শতাংশ জমি দখলে রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন শান্তিপূর্ণভাবে জমি ভোগদখলে থাকার পর সম্প্রতি মৃত তোফায়েল আহমেদের ওয়ারিশগণ ওই সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে তাদের উচ্ছেদের চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফজলুর রহমান মিজী ও তার বড় ছেলে শাহ আলম মিজী দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন। তবে জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলমান রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের আরও অভিযোগ, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের জন্য একাধিকবার তোফায়েল আহমেদের ওয়ারিশদের আলোচনায় বসার আহ্বান জানানো হলেও স্থায়ীভাবে বিরোধ মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

এ অবস্থায় জমি নিয়ে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। একই সঙ্গে প্রকৃত মালিকানা ও বৈধ কাগজপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তারা।

তবে এ বিষয়ে মৃত অ্যাডভোকেট তোফায়েল আহমেদের ওয়ারিশদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

দীর্ঘ ২৫ বছর পর ১১ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...