সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মতলব দক্ষিণে হাফিজিয়া মাদ্রাসার অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগ সাধারণ সম্পাদককে অব্যাহতি দিয়ে যুব সমাজের দায়িত্ব গ্রহণ। চাঁদপুর সদরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে ৪৫৯ অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ যানজট নিরসনে প্রশংসিত চাঁদপুর ট্রাফিক বিভাগের ইন্সপেক্টর প্রবীর কুমার দাশ মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত, উন্নত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়তে চাই: সফিকুল ইসলাম মতলব উত্তরে ৬১ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার শাহরাস্তিতে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মান্দায় পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ৮ চাঁদপুরে মাদক মামলায় যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড মতলব দক্ষিণে ১৪ বছর ধরে দ্বীনি শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে দারুল কোরআন হাফিজিয়া নূরানী মাদ্রাসা চাঁদপুরে ৬০ হাজার টাকায় শিশুকে হস্তান্তরের অভিযোগ অশিক্ষিত মাকে প্রলোভন দেখিয়ে স্ট্যাম্পে টিপসই নেওয়ার দাবি, সন্তানের কাছে যেতে পারছেন না মা

মতলব দক্ষিণে হাফিজিয়া মাদ্রাসার অর্থ আত্মসাৎ ও অনিয়মের অভিযোগ সাধারণ সম্পাদককে অব্যাহতি দিয়ে যুব সমাজের দায়িত্ব গ্রহণ।

হিলশা নিউজ ডেস্ক / ৩৬ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, মতলব দক্ষিণ:

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী  একটি মাদ্রাসা। উত্তর ডিঙ্গভাঙ্গা হাফিজিয়া মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও মাদ্রাসার তহবিল থেকে অর্থ আত্মসাৎঅভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত আবু তাহের মাস্টার সাধারণ সম্পাদক, যিনি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক, তার এমন কর্মকাণ্ডে স্থানীয় এলাকাবাসী ও মাদ্রাসা কমিটির মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে উক্ত মাদ্রাসার অতিথি বাহক ও হিসাব-নিকাশ পরিচালনা করে আসছিলেন অভিযুক্ত ওই শিক্ষক। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মাদ্রাসার জমির মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রি করা এবং মাদ্রাসার তহবিলের আর্থিক হিসাব নিয়ে নানা তালবাহানা শুরু করেন তিনি। এলাকাবাসী ও মাদ্রাসার লোকজন হিসাব চাইলে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখান এবং হুমকি-ধমকি প্রদান করেন।

বিষয়টি নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশি বৈঠক (গ্রাম্য বিচার) অনুষ্ঠিত হলেও তিনি মাদ্রাসার সঠিক হিসাব বুঝিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং কালক্ষেপণ করতে থাকেন। “দিচ্ছি-দেবো” বলে নানা টালবাহানা করে মাদ্রাসার কার্যক্রমকে স্থবির করে তোলেন।

সর্বশেষ পরিস্থিতিতে, মাদ্রাসাকে নিশ্চিত ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে এবং এর শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে স্থানীয় যুব সমাজ এগিয়ে আসে। এলাকার সর্বস্তরের মানুষের  উপস্থিতিতে অভিযুক্ত শিক্ষকের সকল কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেন এবং যুব সমাজের প্রতিনিধিরা মাদ্রাসার পরিচালনার সার্বিক দায়িত্ব ভার গ্রহণ করেন।

এলাকাবাসী অবিলম্বে মাদ্রাসার লুটপাট হওয়া অর্থ উদ্ধার এবং এই দুর্নীতির সাথে জড়িত শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...