রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
চাঁদপুরে মাদক মামলায় যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড মতলব দক্ষিণে ১৪ বছর ধরে দ্বীনি শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে দারুল কোরআন হাফিজিয়া নূরানী মাদ্রাসা চাঁদপুরে ৬০ হাজার টাকায় শিশুকে হস্তান্তরের অভিযোগ অশিক্ষিত মাকে প্রলোভন দেখিয়ে স্ট্যাম্পে টিপসই নেওয়ার দাবি, সন্তানের কাছে যেতে পারছেন না মা ঘাতক বাসের চাপায় অটোরিকশার নারী যাত্রী নিহত, আশঙ্কাজনক ৩ বাকিলা রেলক্রসিংয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অস্থায়ী চেকপোস্ট হাজীগঞ্জে মাদকবিরোধী গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম মতলব দক্ষিণে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত পলাতক হাজীগঞ্জে গাঁজা সেবনের দায়ে যুবকের এক মাসের কারাদণ্ড কচুয়ায় ৮৫ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চান্দ্রা বাজারে মাছের ঘেরে গ্যাস সৃষ্টিতে বিপুল মাছের মৃত্যু ক্ষতির পরিমাণ ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা, মাছ নিয়ে গেছে স্থানীয়রা

চাঁদপুরে ৬০ হাজার টাকায় শিশুকে হস্তান্তরের অভিযোগ অশিক্ষিত মাকে প্রলোভন দেখিয়ে স্ট্যাম্পে টিপসই নেওয়ার দাবি, সন্তানের কাছে যেতে পারছেন না মা

হিলশা নিউজ ডেস্ক / ৬১ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন

চাঁদপুর প্রতিনিধি:

চাঁদপুর সদর উপজেলার পুরানবাজার এলাকায় ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে হস্তান্তরের অভিযোগ উঠেছে। অশিক্ষিত ও অসহায় মাকে প্রলোভন দেখিয়ে এবং একটি নোটারি পাবলিকের স্ট্যাম্পে টিপসই নেওয়ার মাধ্যমে তার সন্তানকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শিশুটির মা রাবেয়া বেগম।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পুরানবাজার এলাকার রাবেয়া বেগমের তিন বছর বয়সী ছেলে আরিয়ানকে গত ৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় জামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন রাবেয়া বেগম।

রাবেয়া বেগমের দাবি, তিনি লেখাপড়া জানেন না এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল। এই সুযোগে তাকে বিভিন্ন ধরনের আশ্বাস দেওয়া হয়। শিশুকে হস্তান্তরের পরও মা হিসেবে তিনি নিয়মিত সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন—এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে সন্তানকে হস্তান্তরের পর সেই প্রতিশ্রুতি রাখা হয়নি বলে অভিযোগ রাবেয়া বেগমের। বর্তমানে তিনি তার সন্তানকে দেখতে পারছেন না। সন্তানকে ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি অন্তত একবার সন্তানের মুখ দেখার আকুতি জানিয়েছেন তিনি।

অভিযোগে আরও বলা হয়, শিশুকে হস্তান্তরের সময় একটি স্ট্যাম্পে রাবেয়া বেগমের টিপসই নেওয়া হয়। তিনি লেখাপড়া না জানায় ওই স্ট্যাম্পে কী লেখা ছিল, তা তাকে যথাযথভাবে বুঝিয়ে বলা হয়নি বলে দাবি করেছেন।

বিষয়টি নিয়ে তিনি চাঁদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে, শিশুটিকে বর্তমানে সুফিয়া আক্তার ও মনের মিজি দম্পতির কাছে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে শিশুটিকে নিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।

তবে অভিযোগের এসব তথ্যের সত্যতা ও শিশুটির হস্তান্তরের আইনগত বৈধতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

স্থানীয় সচেতন মহল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অভিযোগটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

একই সঙ্গে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে শিশুটির সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিত করার পাশাপাশি, কোনো অনিয়ম বা প্রতারণার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের তদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা ও শিশুটির হস্তান্তরের পেছনের বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...